শিশূর জন্য গরুর দুধ নাকি মায়ের দুধ?

শিশূর জন্য গরুর দুধ নাকি মায়ের দুধ?

গরুর দুধ সব মানুষের জন্য পুষ্টি জোগানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পাল করে। এটি তেমন এ খাদ্য, যাতে আছে প্রোটিন বা আমিষের উচ্চমান আর ক্যালসিয়াম ফসফরাসের মতো খনিজ পদার্থে পূর্ণ। তবু বৈজ্ঞানিক বিবেচনায় শিশুর প্রথম বছরে গাভীর দুধ খাওয়ানো পরিহার করা শ্রেয়। এক বছরের কম বয়সী শিশুর খাবার নির্দিষ্ট করতে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা কিছু স্লোগানে ভর করে জনগণের […]

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা

বন্ধ্যাত্ব (infertility) প্রজনন সিস্টেমের এমন একটি রোগ যা নারী-পুরুষের প্রজননতন্ত্রের মৌলিক কার্যাবলীর ক্ষমতাকে দুর্বল বা নষ্ট করে ফেলে। বন্ধ্যাত্ব অনেক কারণে হতে পারে যার মধ্যে জৈবিক (biological) ও মনস্তাত্বিক (psychological) কারণ উল্লেখ যোগ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সফলতা পাওয়া যায়। রোগী যে কারণেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করুক না কেন- হতে পারে একটি সুস্থ প্রজনন সিস্টেম […]

লিউকোরিয়া বা শ্বেতপ্রদরের চিকিৎসা

লিউকোরিয়া বা শ্বেতপ্রদর স্ত্রী প্রজনন তন্ত্রের একটি অস্বাভাবিক অবস্থা যেখানে যৌনাংগ হতে সাদা ও অন্যান্য রংয়ের ঘন, আঠালো বা অন্য অনেক প্রকৃতির স্রাব নির্গত হয়। সাধারণত এই স্রাব নারী দেহের প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থারই অংশ যা যোনি টিস্যুর নমনীয়তা ও মসৃণতা রক্ষা করে। কখনও বা এটি মারাত্মক আকার ধারণ করে। অধিকাংশ নারী জীবনের কোন না কোন […]

জরায়ুর টিউমারের একটি কেস

রোগীর বয়স ৪০, গৃহিনী। জরায়ুর টিউমার ধরা পড়ার পর স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ তাকে অবিলম্বে সার্জারী করতে বলেন। কিন্তু তিনি অপারেশনে রাজী না হওয়ায় হোমিও চিকিৎসা করাতে আসেন। তার লক্ষণাবলী নিম্নরুপঃ ছোট বেলা হতে ত্বক প্রচন্ড রকমের শুকনো, তিনি বলেন এটি বংশগত, তার বাবার দিকের সবারই এমন অবস্থা। জরায়ু এলাকায় প্রচন্ড টেনেধরা ব্যথা, বিশেষত মাসিক চলাকালীন, ব্যথাটি […]

জরায়ুর টিউমার (Uterine Fibroid)

অনেক সময় জরায়ুগাত্রে বা জরায়ু গহ্বরে নানা প্রকার টিউমার হতে পারে। এর আকার মটর কলাই হতে ২০ কেজি ওজন পর্যন্ত এবং সংখ্যায় এক হতে পঞ্চাশটি পর্যন্ত হতে পারে। কোন কোন টিউমার হতে পূঁজ বের হতে পারে আবার কোন কোন টিউমার হতে এই জাতীয় স্রাব নাও হতে পারে। এই জাতীয় টিউমার বা আব বা অর্বুদকে Fibroma […]

এণ্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis)

ইহা নারীদের এক বিশেষ ধরণের রোগ যাতে জননতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ আক্রান্ত হয়। এরোগের আক্রমণস্থল হচ্ছে জরায়ু, যোনিদেশ, ডিম্বাশয় এবং ডিম্বনালী। এ সকল স্থানে মিউকাস টিস্যু বা এন্ডোমেট্রিয়াম জাতীয় টিস্যু অল্প অল্প জমা হতে থাকে যার ফলে সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ বেদনান্বিত ও স্ফীত হয়ে নানারূপ রোগলক্ষণ প্রকাশ পায়। একেই এণ্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis) বলে। দীর্ঘদিন এ রোগে ভুগলে বন্ধ্যাত্ব […]
error: Content is protected !!