প্রতিটি শিশু সমানভাবে ও স্বাভাবিক নিয়মে বেড়ে উঠুক এটা আমাদের সকলের কামনা। কিন্তু কিছু শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা নানাবিধ কারণে বিঘ্নিত হয়। বাবা-মায়ের এদিকে সজাগ দৃষ্ট রাখা উচিত এবং শিশুদের মধ্যে এমন আস্বাভাবিক কিছু নজরে আসলে অবিলম্বে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। হোমিওপ্যাথ এক্ষেত্রে শিশুকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুর সার্বিক লক্ষণাবলীর ভিত্তিতে উপযুক্ত ব্যবস্থাপত্র প্রদান করবেন।

অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কিছু লক্ষণ নিম্নরূপঃ

  1. দুমাস বয়সের মধ্যে না হাসা। একে আমরা সামাজিক হাসি বলে থাকি। এই হাসির মাধ্যমেই শিশু অপরের সাথে ভাব বিনিময় বা যোগাযোগের সূচনা করে।
  2. চার মাস বয়সে মাথা / ঘাড় শক্ত রাখতে না পারা।
  3. ছয় মাস বয়সে মাকে চিনতে না পারা।
  4. কারো সাপোর্ট ছাড়া ৮ মাস বয়সে বসতে না পারা।Child developoment
  5. নয় ময় বয়সে হামাগুড়ি দিতে না পারা।
  6. নয় মাস বয়সে কারো সাহায্য ব্যতিত দাড়াতে না পারা।
  7. আঠারো মাস বয়সে কারো সাহায্য ব্যতিত হাটতে না পারা।
  8. বারো মাস বয়সে হাত মুষ্ঠিবদ্ধ করতে না পারা।
  9. বারোমাস বয়সে অস্ফুট স্বরে অনর্গল কথা বলতে না পারা।
  10. তিন বছর বয়সে অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করতে না পারা।

উপরোক্ত লক্ষণাবলী এক বা একাধিক লক্ষ্য করা গেলে অনতিবিলম্বে অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন এবং শিশুর স্বাভাবিক বেড়েওঠা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করুন।

ডা. বেনজীর আহমেদ একজন কনসাল্টেন্ট হোমিওপ্যাথ। বিশ্বখ্যাত হোমিওপ্যাথ প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাসের নিকট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বিশ্বব্যাপী প্রফেসর জর্জের নিকট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হোমিওপ্যাথের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.