হোমিও চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা। একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ রোগীর কেস নেওয়ার সময় রোগীর প্রধান রোগ/লক্ষণ এবং তার আনুষংগিক শারীরিক, মানসিক, আবেগিক ও সাধারণ লক্ষণ যত্ন সহকারে এবং সময় নিয়ে শোনেন ও লিপিবদ্ধ করেন। তারপর তা স্টাডি করে রোগীর জন্য ওষুধ নির্বাচন করেন। রোগীর সার্বিক লক্ষণানুযায়ী সঠিক ওষুধ, সঠিক শক্তি ও মাত্রায় সেবন করলে রোগীর রোগলক্ষণ কিছু সময়ের জন্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এ‌ই বৃদ্ধি কয়েক সেকেন্ড হতে কয়েক দিন হতে পারে। রোগী নিজে তা বুঝতে পারেন। এই বৃদ্ধির পরই যদি রোগী উপশম বোধ করেন তবে বুঝতে হবে সঠিক ওষুধ সুনির্দিষ্ট শক্তি ও মাত্রায় প্রয়োগ করা হয়েছিল। হোমিও ওষুধ প্রয়োগে যে ২২ রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তার ভেতর এটি সবচেয়ে কাংখিত প্রতিক্রিয়া। যে সকল রোগীর ক্ষেত্রে এমন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাদের রোগ দ্রুত আরোগ্য হয়। তবে যাদের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক উপশম হয়ে পরবর্তীতে রোগের বৃদ্ধি দেখা দেয় সেটা প্রত্যাশিত অবস্থা না যদিও অধিকাংশ হোমিওপ্যাথের চিকিৎসায় এমনটিই হয়ে থাকে। এই জাতীয় উপশমে খুশী হবার কিছু নেই।

যেক্ষেত্রে রোগীর রোগ লক্ষণাবলী সুষ্পষ্ট হ্রাস-বৃদ্ধি সহ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে সঠিক ওষুধ নির্বাচন করা যায়। আর কেস টেকিং এ সুস্পষ্ট লক্ষণাবলী না পাওয়ার কিছু কারণ থাকে যেমনঃ (১) রোগীর দীর্ঘদিন যাবৎ দমনমূলক এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাধীন থাকা (২) একসাথে একাধিক হোমিও ওষুধ প্রয়োগ, যাতে লক্ষণের হ্রাস-বৃদ্ধির ধারা পরিবর্তন হয়ে যায়। আমরা লক্ষ্য করি এমনও হোমিওপ্যাথ আছেন যারা একসাথে রোগীকে ১০/১২/১৫ টা করেও ওষুধ দিয়ে থাকেন (৩) রোগীর নিজের রোগলক্ষণ পর্যবেক্ষণের অভাব বা হোমিওপ্যাথের নিকট লক্ষণসমুহ সঠিকভাবে বলতে না পারা ইত্যাদি।

ডাঃ বেনজীর। হোমিওপ্যাথ। এ্যাপায়েন্টমেন্ট গ্রহণ সহ যে কোন প্রয়োজনে ফোন দিনঃ ০১৭৩৩৭৯৭২৫২। আরো জানতে ভিজিট করুনঃ drbenojir.com/contact/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *