ব্যতিক্রমি ক্ষেত্র যেমন ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, হাঁপানী ইত্যাদি রোগে রোগীর অবস্থা অত্যন্ত জটিল হলে সেক্ষেত্রে হোমিও চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথের অনুমতিক্রমে অন্যান্য চিকিৎসা গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে সকল ক্রণিক রোগীর ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। একিউট যে কোন রোগের ক্ষেত্রেও যেখানে রোগীর জীবন সংকটাপূর্ণ কেবল সেখানেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়। তবে একিউট যে কোন রোগে রোগীর সার্বিক লক্ষণাবলী স্পষ্ট পাওয়া গেলে রোগী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাতেই দ্রুত আরোগ্য লাভ করবে ইনশাল্লাহ। সাধারণ নিয়ম হলো – রোগীকে একই সাথে অনেক প্রকার চিকিৎসা না দেয়া উত্তম। কারণ, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার লক্ষ্য রোগীকে স্থায়ী আরোগ্য করা যেখানে এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর রোগ লক্ষণাবলী দমন হয় বা রোগীর লক্ষণাবলী সাময়িকভাবে হ্রাস পায় বা তীব্রতা কমে যা পরবর্তীতে রোগীর ফলোআপ ভিজিটের সময় ওষুধ নির্বাচনে জটিলতার সৃষ্টি করে। লক্ষণের প্যাটার্ণ পরিবর্তন হওয়ার ফলে স্পষ্টভাবে সুনির্দিষ্ট হ্রাস-বৃদ্ধিসহ লক্ষণ জানা যায়না এবং সঠিক ওষুধ নির্বাচন করা যায়না। জরুরী প্রয়োজন না হলে রোগীর উচিত হোমিওপ্যাথির সাথে অন্যান্য চিকিৎসা না নেয়া। ধৈর্য ধারণ করে কেবল হোমিও চিকিৎসাই গ্রহণ করা উচিত। তাতেই স্থায়ী আরোগ্য আসবে ইনশাল্লাহ।

ডাঃ বেনজীর। হোমিওপ্যাথ। এ্যাপায়েন্টমেন্ট গ্রহণ সহ যে কোন প্রয়োজনে ফোন দিনঃ ০১৭৩৩৭৯৭২৫২। আরো জানতে ভিজিট করুনঃ drbenojir.com/contact/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *