Psyche অর্থ মন Soma অর্থ দেহ। যে সকল শারীরিক রোগের উৎপত্তি বা কারণ কোন না কোন মানসিক বা আবেগিক অবস্থা তাদের মনোদৈহিক রোগ (psychosomatic disease) বলে। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা আক্রান্ত বহু শারীরিক রোগের প্রাথমিক কারণ আবেগিক ইস্যু। স্নায়ুতন্ত্র শরীরের ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে এবং সঠিক প্রতিক্রিয়া দেয় যার দ্বারা শরীর বাইরের ও অভ্যন্তরীণ পরিবেশের পরিবর্তনগুলির সাথে সামঞ্জস্য রাখে। স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র যা শরীরের ফাংশনগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে, তা অনিচ্ছাকৃতভাবে সহানুভূতিশীল ও প্যারাসিমপ্যাথেটিক এই ২ ভাগে বিভক্ত। দু:শ্চিন্তা, ভয় ইত্যাদি সহানুভূতিশীল নার্ভ ফাইবারকে উদ্দীপিত করে যার ফলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়, হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, এমনকি পরিপাকতন্ত্রের কার্যকলাপে বিশৃংখলা দেখা দেয়। প্যারাসিম্পেথিটিক নার্ভের উদ্দীপনার কিছু প্রভাব ব্রনকিওলের কাঠিন্য সৃষ্টি করে যার ফলে হাঁপানি দেখা দেয়, খাদ্যনালীর মসৃণ পেশী সংকোচনের ফলে পেটে ব্যথার সৃষ্টি হয়, হৃদপিন্ডের গতি ধীর হয়ে যায়, লালাগ্রন্থি ও গ্যাস্ট্রিক গন্থি হতে ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। এভাবে উদ্বেগ-দু:শ্চিন্তার পুনরাবৃ্ত্তি ঘটতে থাকলে সংশ্লিষ্ট শারীরিক অংগের বিকৃতি দেখা দেয়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্বারা কোন প্রকার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ব্যতীত খুব সহজেই এসকল মানসিক দু:শ্চিন্তা ও শারীরিক সমস্যার সমাধান করা যায়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ একাধারে শরীর ও মনের উপর কাজ করে অভ্যন্তরীণ বিশৃংখলাগুলিকে সম্পূর্ণভাবে শৃংখলা প্রতিষ্ঠা করে রোগ নির্মূল করে।

মাইগ্রেন, হাঁপানি, এ্যাসিডিটি, পেপটিক আলসার, এ্যালার্জি ইত্যাদি মনোদৈহিক রোগ এখন সচরাচর দেখা যায়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে যে সকল মানসিক অবস্থা এই সকল রোগের কারণ তা হলো – অতিরিক্ত উদ্বেগ, নিরাপত্তাহীনতা, আবেগপ্রবণতা, অযৌক্তিক ঈর্ষা, সন্দেহ, বিষন্নতা ইত্যাদি। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা এই সকল নেতিবাচক আবেগ হতে মুক্ত করে রোগীকে স্বাস্থ্যকে ফিরিয়ে আনে। কেবল বিচ্ছিন্নভাবে ২/১ টি রোগের নয়; হোমিওপ্যাথি পুরো রোগীর চিকিৎসা করে।

ডাঃ বেনজীর। হোমিওপ্যাথ। এ্যাপায়েন্টমেন্ট গ্রহণ সহ যে কোন প্রয়োজনে ফোন দিনঃ ০১৭৩৩৭৯৭২৫২। আরো জানতে ভিজিট করুনঃ drbenojir.com/contact/

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.