#Why patients come from allopathic treatment?

যে সকল কারণে রোগী এ্যালোপ্যাথি হতে ফিরেন সংক্ষেপে সেগুলো হলো:

(১) এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা তার ক্ষেত্রে সম্পূ্র্ণ ব্যর্থ, (২) পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারণে এ্যালোপ্যাথি সহ্য হয়নি, (৩) বহুদিন যাবৎ চিকিৎসা নিয়ে একটির পর একটি নতুন ক্রণিক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, (৪) এ্যালোপ্যাথিক ডাক্তার বলে দিয়েছেন রোগীর রোগের আর কোন চিকিৎসা নাই (খুব কম সংখ্যক ডাক্তার এটা বলে সততার পরিচয় দেন), (৫) রোগীকে সারাজীবন ওষুধ সেবন করে যেতে বলায়, (৬) জীবনের শেষ চিকিৎসা হিসেবে হোমিওপ্যাথি!!

শুরুতেই এসব রোগী হোমিওপ্যাথের হাতে পড়লে তার আজ আর করুণ দশা হতোনা। রোগের চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক ফল পেতে গিয়ে তাদের আজ এ অবস্থা।

#What does homeopath do?

হোমিওপ্যাথ কি করেন? প্রথমেই বলে দেয়া উচিত হোমিওপ্যাথি লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা। আর রোগীর লক্ষণসমূহ মারাত্মকভাবে দমন করা হয় এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসায়। রোগী নিয়ে তাদের আদৌ কোন ভাবনা নাই। রোগীর উচিত ঐ চিকিৎসা ছাড়ার সাথে সাথে হোমিও চিকিৎসকের কাছে না এসে অন্তত ৪/৫ সপ্তাহ অপেক্ষা করা। আশাকরা যায় এতে কিছু লক্ষণ পুন:প্রকাশিত হবে যা চিকিৎসা দিতে সহায়তা করবে।

#Cancer: ক্যান্সারের কিছু রোগী যখন পরামর্শ চান তখন তার ক্যান্সারের যাবতীয় চিকিৎসা শেষ। তাদের উদ্দ্যেশ্যে বলতে হবে কোন প্রকার থেরাপি সে হোক রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপি দেয়া হলে সে রোগীর চিকিৎসা দুরারোগ্য। কারণ, রোগী তখন নিজের যন্ত্রণার কথা তথা ব্যক্তিগত অনুভূতি (subjective symptoms) নিজে থেকে বলতে পারেন না। কেবল টেস্ট রিপোর্ট হোমিও চিকিৎসায় সহায়তা করেনা। রোগীর কষ্ট রোগীর মুখে শোনাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যান্সার বা যেকোন ক্রণিক রোগ একদিনে হয়না। বরং বছরের পর বছর ধরে তা চুড়ান্ত অবস্থায় আসে। বংশগত রোগের ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। তবে রোগীর জীবনের গল্পে কোন না কোন ক্লু পাওয়া যায়। হতে পারে তা কোন দমনমূলক চিকিৎসা (suppressive therapy) বিশৃংখলা জীবনযাত্রা (indisciplined lifestyle), ক্রমাগত মানসিক চাপ (stress), কোন আবেগিক ট্রমা (emotional trauma) বা কোন বংশগত রোগ প্রবণতা (Genetic predisposition)। যাহোক, বৈশিষ্ট্যমন্ডিত লক্ষণগুলো (characteristic symptoms) আমরা থেরাপি দেয়ার পর পাইনা।

#Hypertension, Diabetes: উচ্চ রক্তচাপের (hypertension) রোগীকে ডাক্তার মাইল্ড ওষুধ দিয়ে শুরু করেন যা পরবর্তীতে পরিবর্তন করা হয় ও সারাজীবন সেবন করে যেতে হয়। ডাক্তার রোগীর মনে ভয় ঢুকিয়ে দেন – ”ওষুধ ছাড়লেই মহাবিপদ”। এখন তো প্রি-ডায়বেটিক (pre-diabetic) আর প্রি-হাইপারটেনশনের (pre-hypertension) কথা ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে। ওষুধ কোম্পানীর ব্যাপক অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণায় ডাক্তার ও মেডিকেল গবেষকরা সুরে সুর মিলিয়ে এ ধারণাগুলো প্রচার করে যাচ্ছেন নিষ্ঠার সাথে। ডাক্তাররা রোগীর নরমাল ব্লাড সুগার রিপোর্ট ও  উচ্চ রক্তচাপের মাপের একককে কিছুটা নামিয়ে দিয়ে pre-diabetic & pre-hypertension এর ধারণা ব্যাপকভাবে প্রচার করছেন এবং সতর্কতার নামে ভয় দেখিয়ে রোগীর চিকিৎসা শুরু করে দিচ্ছেন। আর যে চিকিৎসা শুরু হবে আজ মৃত্যুতেই তার সমাপ্তি। তাদের সুবিধা হলে এসব রোগ আনারোগ্য (incurable) ঘোষণা দিয়েই তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেবল ভয়ভীতি দেখিয়ে।

#GoodNews!

হোমিও চিকিৎসায় তাদের জন্য সুসংবাদ – যাদের গত ৫/৭/১০ বছরের ভেতর উচ্চ তাপমাত্রা (১০৩ ডিগ্রী +) সহ জ্বর হয়েছিল। এটাকে আমরা edipathic hypertension বলি যা হোমিও চিকিৎসায় দ্রুত আরোগ্যযোগ্য (curable)। কিন্তু জ্বর আসার উপক্রম হলেই আমরা নাপা/প্যারাসিটামল/এইচ+ এর সাথে এ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে সেই জ্বরকে বিতাড়িত করছি। এর নাম কি স্বাস্থ্য সচেতনতা হতে পারে?

#What does high fever mean?

উচ্চ জ্বর অর্থই হলো রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। এমন অবস্থায় যে কোন বহি:শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হলে সে কোন চিকিৎসা ছাড়াই নিজ হতে যুদ্ধ করে নিজেকে রোগমুক্ত মুক্ত করার ক্ষমতা রাখে। এর আরকেটি অর্থ – রোগী এখনও ক্রণিক রোগে আক্রান্ত হননি যেখানে তার গুরুত্বপূর্ণ অংগ আক্রান্ত তথা – কিডনী, যকৃত, হৃদপিন্ড, ফুসফুস আক্রান্ত হয়নি। জ্বর কত বড় নিয়ামত ও সাস্থ্যের উত্তম নির্দেশক আমরা এখনও বুঝিনা। উচ্চ জ্বরের চিকিৎসা আমরাও করি। তবে সেখানে তাপমাত্রা কমানো উদ্দ্যেশ্য নয়। উদ্দ্যেশ্য রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরোও শক্তিশালী করা। যাহোক, রোগী যদি স্মরণ করতে না পারেন তার শেষ উচ্চ জ্বরটা কবে হয়েছিল বা স্মরণ করতে পরিবারের সদস্যদের সাহায্য চান তবে বুঝতে হবে অবস্থা জটিল। তিনি স্বাস্থ্যের অনেক নীচু লেভেলে অবস্থান করছেন এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থাটি পরাজয় মেনে বসে আছে (compromised)। এসব রোগীর উচ্চ রক্তচাপকে malignant hypertension বলে যা হোমিও চিকিৎসায় দুরারোগ্য যদিও অনারোগ্য নয়।  তাদের জন্যও সুসংবাদ যদি তারা ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিতে পারেন। তাদের অবস্থা জটিলতা প্রাপ্ত বলে সময় লাগবেই। এসব রোগী কিন্তু জীবনব্যাপী এ্যালোপ্যাথি ওষুধ সেবনের মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। অথচ হোমিও চিকিৎসায় এসে স্থায়ী কিউরের জন্য তাড়াহুড়ো শুরু করে দেন। তাদের অবস্থার ধাঁপে ধাঁপে উন্নতি করতে হবে। লক্ষণ বদলাবে, ওষুধ বদলাবে। এরা স্বাস্থ্যের ১২ টি লেভেলের ৬-১২ নং অবস্থানে। কারণ, জীবনের নানা পর্যায়ে অনেক চড়াও উৎরাও এর ভেতর দিয়ে রোগের একেকটি স্তর তাদের উপর চেপে বসে আছে। এ্যালোপ্যাথ তাকে সারাজীবন ওষুধ সেবন ভিন্ন সদুপদেশ দেননি কখনও। আমরা জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তনের পরামর্শ সহ চিকিৎসা দিই। এতে রোগী কিছু বিলম্বে হলেও ফল পাবেন ইনশাল্লাহ।

#Mixed-treatment!!

অনেক রোগী প্রশ্ন করেন একই সাথে হোমিও-এ্যালো চিকিৎসা চলবে কিনা। তাদের বলি – চিকিৎসা কেন নিচ্ছেন? যে চিকিৎসার শুরু আছে, শেষ নাই তা কি আসলেই চিকিৎসা কিনা তা আগে বিবেচনা করুন। আমাদের উদ্দ্যেশ্য রোগের স্থায়ী আরোগ্যদান (permanent cure)। তাদের উদ্দ্যেশ্য সাময়িক উপশম (palliation) যার ফলে আজকের তুলনামুলক সুস্থ মানুষটি ক্রমান্বয়ে জটিল ক্রণিক রোগীতে পরিণত হবেন। যেমন- আজ যদি আপনি তাদের কাছে চর্মরোগের চিকিৎসা নেন নিশ্চিত থাকুন ২/৩ বছরের ভেতর আপনার হাড়, কিডনী ও ফুসফুস আক্রান্ত হবে। অধিকাংশ শ্বাসকষ্টের (asthma) মুল কারণ চর্মরোগে পুন: পুন: স্টেরয়েড ও কর্টিজন ব্যবহার। আমরা নীতিগতভাবে একসাথে মিশ্র চিকিৎসার দেয়ার পক্ষে না। কারণ, আমাদের ও তাদের উদ্দ্যেশ্য ও চিকিৎসা পদ্ধতি (treatment method) ভিন্ন হওয়ায় ওষুধের কার্যকারিতাও বিপরীতমুখী (opposite)। একটি দমনমুলক (suppressive), আরেকটি আরোগ্যকর (curative)। তারা রোগ দমন করে, আমরা ভেতর হতে রোগ কিউর করি। কেন একসাথে ২ প্রকার চিকিৎসার অনুমতি দেইনা? বড় কারণ ২টি। প্রথমত: রোগীর লক্ষণ অন্য চিকিৎসাকালীন স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়না ফলে কাছাকাছি বা ভুল হোমিও ওষুধ নির্বাচিত হয় যা আশানুরুপ ফল দেয়না। বুঝতে পারছেন এটা হোমিও প্যাথির সীমাবদ্ধতা নয়। দ্বিতীয়ত: অন্য চিকিৎসা দমনমুলক হওয়ায় তার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া (side effects) এমন যে পরবর্তী সাক্ষাতে (follow up) রোগের গতি-প্রকৃতি বা উন্নতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন (evaluation) করা যায়না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে আমরা সাময়িকভাবে অন্য চিকিৎসার অনুমোদন দিতে পারি। সেটা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা। আশার কথা হলো – সকল রোগীর ক্ষেত্রে অন্য চিকিৎসার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার মাত্রা-ধরণ একই রকম নয়।

#Taking medicine for nothing!!

কিছু মানুষ কোন রোগ ছাড়াই কিছুটা বিনা কারণে ওষুধ খান। যেমন – গ্যাসের জন্য এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ। স্বাস্থ্যের নিয়ম মানলেই তারা এমনিতেই সুস্থ হয়ে যেতে পারেন। যেনতেন কারণে ওষুধ সেবন করে তারা যে নিজেদের কি ঝুঁকির ভেতর ফেলে দিচ্ছেন তা নিজেরাও জানেন না। আজ গ্যাসের মত ছোটখাটো কারণে যখন তখন ওষুধ সেবন কাল রোগীর লিভার বৃদ্ধি পাওয়া, গলব্লাডারে পাথর হওয়া, হেপাটাইটিস বি এমনকি ডায়বেটিসের কারণ পর্যন্ত হতে পারে। এসব আমাদের প্রতিদিনকার অভিজ্ঞতা। এমন উদাহরণ বহুক্ষেত্রে প্রযোজ্য। উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ নিয়মিত সেবন রোগীর হৃদযন্ত্রের বিবৃদ্ধি (heart enlargement) বা হৃদপিন্ডের ব্লকের কারণে পরিণত হচ্ছে।

#IBS, Constipation, Piles, Insomina!!!

ইদানীং আইবিএস (IBS) আক্রান্ত বহু রোগী পাচ্ছি। এসব রোগীদের এ্যালোপ্যাথিক ডাক্তাররা গ্যাসের ওষুধ, ডায়রিয়ার-আমাশয়ের ওষুধ, এমনকি এ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে বহুদিন চিকিৎসা দেয়ার পর এক পর্যায়ে বলে দেন IBS এর চিকিৎসা নাই। এদের ওষুধ ছাড়লেই রোগ ফিরে আসে। তারা শেষ পর্যন্ত নিষিদ্ধ খাবার-পানীয়ের একটা দীর্ঘ তালিকা ধরিয়ে দেন আর বলে দেন সারাজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। এমনকি তারা ঘুমের ওষুধ ও মানসিক চাপের ওষুধ দিচ্ছেন এদের। এদের রোগ খুব জটিলতা প্রাপ্ত। আমাদের চিকিৎসায় দরকার রোগীর কোন্ খাবার-পানীয় বা কি শারীরিক-মানসিক বা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় কি কি লক্ষণ প্রকাশিত ও রোগের হ্রাস-বৃদ্ধি হয় তা স্পষ্টভাবে জানা। এসব জানা গেলে রোগী দ্রুত আরোগ্য হবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস্, অনিদ্রার ক্ষেত্রেও একই বক্তব্য। রোগের নামে কিছু যায় আসেনা।

#Craziness in puberty!!

যৌবনের উন্মাদনায় যারা স্বেচ্ছাচারিতা (self-indulgent) করেছেন তাদের কথা কিছুটা বলা উচিত। তাদের চিকিৎসা দিতে আমরা খুবই বিব্রত। উঠতি যুবকেরা কিছু ভুল ধারণা ও অসৎ সংসর্গে পড়ে বহু খারাপ অভ্যাসের দাস হয়ে যায়। মনে করে ওসব স্বাভাবিক, কোন ক্ষতি নাই। এর সাথে যুক্ত হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে যৌনতার সহজলভ্যতা যা তাদের বিপথগামী করে ফেলছে। মানুষের নৈতিকতার মারাত্মক অধ:পতন হয়েছে আজ। যুবকদের তাই সংযমী হতে হবে। যুবকের কেন বিবাহ ভীতি থাকবে? কেন কেবল যৌন দুর্বলতার জন্য সংসার ভেংগে যাবে? আদতে হচ্ছেও তাই। যারা বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অথচ ভয় পান তাদের মুল সমস্যা হলো – তারা অন্যদের সাথে নিজেদের বিশেষ অংগ ও তার কার্যকারিতার নানাবিধ তুলনা করেন। এমনকি অশ্লীল ভিডিও দেখে নিজেদের সাথে মেলান যা তাদের মানসিক রোগী হওয়া ছাড়া আর কোন সহায়তা করেনা। বহু ক্ষেত্রে কোন চিকিৎসাই দরকার নেই। কেবল শৃংখলা ও সংযম অবলম্বনই যথেষ্ট। এ্যালোপ্যাথরা এমন কিছুর ওষুধ দেন যা সেবন করলে তীব্র অথচ সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কেউ ৫/৬ মাস এসব সেবন করলে তার ভবিষ্যত অন্ধকার। তখন আর কিছুই করার নাই আমাদের।

#Drbenojir, #Homeopath, 01733797252, For more info Please CLICK

2 Responses

  1. As salamu alaykum
    I am a Civil Engineer. I an serving as a lecturer in an universit. I like homeopath. My wife is a MBBS doctor. I want to know homeopathy and want to be a doctor of homeopath. Though it sounds funny that an engineer wants to be a doctor but i want to. Is there any chance to study homeopathy and how it could be done?
    Hope you may help to guide on it.
    Thank you.😊

    1. Walykum Assalam. Thanks for writing to me. This kind of comment should be made in email or Facebook messenger where I use to visit every day. please send an email to the following address: drbenojir@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *