#রোগ সারে কতদিনে? এ প্রশ্ন প্রায়ই শুনতে হয় ডাক্তারকে। এর যুক্তিযুক্ত ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা আজকের লেখাতে।

হোমিওপ্যাথদের যে কথাটি সবার আগে উপলব্ধি করতে হবে তা হলো হোমিওপ্যাথির সকল বিষয় রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার (defence mechanism) কার্যকারিতার সাথে সম্পৃক্ত। ওষুধ পরীক্ষাকালীন (proving) লক্ষণ লিপিবদ্ধ করা থেকে শুরু করে রোগীর ওষুধ নির্বাচন, ফলোআপ এবং শেষ পর্যন্ত রোগীর আরোগ্য সাধন সকল ধাপেই এটি গুরুত্বপূর্ণ। ওষুধ পরীক্ষাকারীর (prover) বা রোগীর লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে। রোগীর উপর ওষুধ পরীক্ষা ও প্রাকৃতিক রোগের চিকিৎসায় রোগীর যে লক্ষণসমূহ আমরা ব্যবহার করি তা উভয়ই রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ক্রিয়া ব্যতীত বৈ কিছু নয়। প্রতিরোধ ব্যবস্থা উভয় অবস্থায় লক্ষণাদি প্রকাশ করে মানবদেহের (human organism যা দেহ, মন, আবগের সমন্বয়) ভারসাম্য (equilibrium) বজায় রাখার জন্য। ল্যাব টেস্ট অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোন সহায়তাই করবেনা। তাই রোগীর কথা শুনুন। কারণ, বহু রোগীর রিপোর্ট ১০০% নরমাল; অথচ রোগী মারাত্মক অসুস্থ।

রোগীর লক্ষণের যথার্থ মুল্যায়ন করার জন্য আমাদের রোগীর প্রতিরোধ ব্যবস্থার অবস্থা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে তা সুনির্দিষ্ট ওষুধ প্রদর্শন করবে। সুস্থ ও কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রোগের নাম যাই হোকনা কেন তা স্পষ্ট লক্ষণ উৎপাদন করে। ফলে রোগীতে আরোগ্যদায়ক ওষুধ খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অর্থই সবচেয়ে স্বাস্থ্যবান রোগী। প্রতিরোধ ব্যবস্থাটি দুর্বল হলে ওষুধের চিত্রটি অস্পষ্ট দেখাবে। সঠিক মেডিসিনের খুব সামান্য সংখ্যক লক্ষণ দেখাবে, পার্শ্ব লক্ষণ (side symptoms) অধিক সংখ্যায় থাকবে যা আমাদের অধিক দ্বিধায় ফেলে। প্রতিরোধ ব্যবস্থা যত দুর্বল, রোগীর লক্ষণাদি ততো অস্পষ্ট এবং ওষুধ নির্বাচন ততোধিক জটিল। শেষোক্ত ক্ষেত্রে ১ ওষুধেই আরোগ্য সম্ভবপর নয়।

একদেশীয় রোগ (one sided disease) কে মহাত্মা হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক্ষেত্রে রোগী অসংখ্য অস্পষ্ট ও প্যাথোজেনিক (vague & pathogenic) লক্ষণ দেখা যায়। যে সকল স্বাতন্ত্র্যসূচক (distinctive) লক্ষণের উপর ভিত্তি করে আরোগ্যকর চিকিৎসা দেয়া হয় তা অনুপস্থিত থাকে।

আমরা প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রকৃতি সম্পর্কে যতটা গভীর জ্ঞান রাখবো ততোই রোগীর সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে অধিক অবহিত হতে পারবো। আর তাহলেই রোগী কতদিনে আরোগ্য হবে অর্থাৎ আরোগ্য সম্ভাবনা (prognosis) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবো। অধিকন্তু, যথাসম্ভব বৈশিষ্ট্যসূচক লক্ষণাবলী নির্বাচন করতে পারবো যা সঠিক ওষুধ ও তার মাত্রা-শক্তি নির্বাচনে সহায়ক হবে। ওষুধ সেবনে কি প্রতিক্রিয়া দেখালো তাও সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবো। প্রতিটি রোগীর চিকিৎসায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এসব জানা হোমিওপ্যাথের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসব লক্ষণ ব্যতীত পরবর্তী সাক্ষাতে (follow up) কোন ভাবেই রোগীর লক্ষণাবলীর যথার্থ মূল্যায়ন সম্ভব নয়। অথচ ফলোআপ প্রতিটি সাক্ষাত প্রথম সাক্ষাতের মতই গুরুত্বপূর্ণ।

আমার প্রফেসর বিশ্বসেরা হোমিওপ্যাথ জর্জ ভিথোকাস কে ধন্যবাদ জানাই। তিনি তার ৫০+ বছরের এ্যালোপ্যাথি-হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে আমাদের রোগীর অবস্থা মুল্যায়নের একটি পদ্ধতি উপহার দিয়েছেন। যাকে Level of Health বলা হয়। এই পদ্ধতিতে রোগীকে ৪ টি গ্রুপে সর্বমোট ১২ টি স্তরে ভাগ করা হয়। ১ নং লেভেলের রোগী স্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ স্তরে থাকে। ১২ নং লেভেল স্বাস্থ্যের সর্বনিম্ন অবস্থা। ১-৬ লেভেলে রোগীর আরোগ্য সহজসাধ্য। কারণ, এসব স্তরে রোগীর প্রতিরোধ ব্যবস্থা সুশৃংখলভাবে কাজ করে, আক্রান্ত হলে প্রাকৃতিকভাবেই স্পষ্ট লক্ষণাদি প্রকাশিত হয় যা সঠিক ওষুধ নির্ণয়ে সহায়ক। কখনও এসব লেভেলে সিরিয়াস কোন প্যাথলজিক্যাল কন্ডিশন দেখা দিলেও সেটা কোন শক্তিশালী কারণ (strong causal factor) বা বংশগত রোগ প্রবণতার (hereditary predisposition) জন্য। উল্লেখ্য, যে কোন লেভেলে যে কোন রোগ দেখা দিতে পারে। রোগ প্রতিরোগ ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করেই আরোগ্য সম্ভাবনার পার্থক্য নির্দেশিত হবে। উদাহরণস্বরুপ- ১ নং লেভেলে ক্যান্সারও সহজেই আরোগ্য যোগ্য, ৭ নং লেভেলে অপেক্ষাকৃত অপেক্ষাকৃত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ, ১২ নং লেভেলে রোগ দুরারোগ্য।

বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা সাপেক্ষ। অতি সংক্ষেপে ৪ টি গ্রুপের অধীন ১২ টি লেভেল সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।

#Group A (Level 1-3): এ স্তরেই সবচেয়ে স্বাস্থ্যবান রোগী দেখা যায়। তাদের শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকে যা আক্রান্ত হলে সুস্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ করে। সুশৃংখল থাকায় প্রতিরোধ ব্যবস্থা সহজেই আরোগ্যদায়ক ওষুধ নির্বাচিত হয়। ওষুধ প্রয়োগের পর ওষুধের প্রতিক্রিয়াও সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়। চিকিৎসার ইতিবাচক ফল বহু মাস এমনকি বছরের পর বছর পরিলক্ষিত হয়। ১ নং লেভেলে সাধারণত: ১ টি ওষুধেই কাজ হয়। একেই আমরা constitutional remedy বলি। ২-৩ নম্বর লেভেলে পর্যায়ক্রমে একাধিক ওষুধের দরকার হয়। গ্রুপ-এ এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভালভাবে কাজ করে। রোগী ১-৫ বছর অন্তর উচ্চ জ্বর (১০৩ ডিগ্রী+) সহ একিউট রোগে আক্রান্ত হন। দু:খের বিষয় ১ নং লেভেলে গ্রুপে রোগীর সংখ্যা পৃথিবীব্যাপী এখন ৩-৫%। দমনমূলক এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাই যার অন্যতম কারণ। যথেচ্ছা এ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগই এর জন্য সবচেয়ে দায়ী। এরপর স্টেরয়েড, কর্টিজন, ব্যথানাশক তো আছেই।

#Group B (Level 4-6): প্রতিরোধ ব্যবস্থা কিছুটা দুর্বল হলেও বছরে একাধিকবার উচ্চজ্বর সহ একিউট রোগ দেখা দেয়। এই গ্রুপের যতই নীচের দিকে রোগীর অবস্থান ততোই ঘন ঘন একিউট রোগ হবে অথচ রোগীর গুরুত্বপূর্ণ অংগ আক্রান্ত হতে থাকবে। অণুজীব (bacteria, virus) অধিকতর আক্রমণাত্মক ভূমিকা রাখবে। এ স্তরেই Proteus ও pseudomonas নামক অনুজীবের প্রাধান্য থাকে যা এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাকে প্রতিরোধ করে (antibiotic registance তৈরি করে)। দুর্বলতর হলেও এই গ্রুপের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখনও কিছুটা শক্তিশালী। তাই অপেক্ষাকৃত সহজে ওষুধ নির্বাচিত হয়। কিন্তু পূর্ণ আরোগ্যের জন্য গ্রুপ – এ থেকে কিছু অধিক ওষুধ পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করতে হয়। ওষুধের প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট হলেও তার কার্যকাল সংক্ষিপ্ত থাকে। এ স্তরে একিউট রোগের জন্য শক্তিশালী এ্যালোপ্যাথিক মেডিসিন দ্বারা চিকিৎসা করা হলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা দমিত (suppressed) হয়। প্রতিরোধ ব্যবস্থা পরাজিত (compromised) হয়ে রোগী ধীরে ধীরে গ্রুপ-সি তে নেমে যায়।

#Group C (Level 7-9): পরাস্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা‌ই এ স্তরের মুল কথা। লেভেল-৭ এর রোগীদের ঘন ঘন উচ্চ জ্বর ব্যতীত একিউট রোগ হয় অথবা রোগীর আর একিউট রোগই হয়না। অনভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ মনে করতে থাকেন – ”রোগী পূর্ণ আরোগ্য হয়েছেন বলে একিউট রোগ হয়না”। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো রোগী এখন ক্রণিক রোগে আক্রান্ত। প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় তা ক্রণিক রোগের হাত থেকে রোগীকে বাঁচাতে ব্যর্থ। ফলে এ স্তরে হোমিও চিকিৎসা দেয়ার জন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ করতে পারেনা। কোন্ ওষুধটি নির্বাচন করতে হবে তা নির্ণয় অপেক্ষাকৃত কঠিন হয়ে দাড়ায়। সদৃশতম মেডিসিন (simillimum) প্রয়োগের জন্য খুব কম সংখ্যক লক্ষণ পাওয়া যায়। বরং অধিক side symptoms পরিলক্ষিত হয়।  এখানে ওষুধের বহু স্তর দেখা যায়। ওষুধ সেবনের পরও সুস্পষ্ট প্রতিক্রিয়া দেখা যায়না। আর ওষুধের কার্যকারিতা সংক্ষিপ্ত হতে থাকে। সুকঠিন হলেও এ স্তরের রোগীদের কিউর করা সম্ভব। সময় কিছু অধিক প্রয়োজন কারণ পর্যায়ক্রমে বেশ কিছু ওষুধের প্রয়োজন। তবে কখনও একসাথে একটির অধিক ওষুধ নয়।

#Group D (Level 10-12): এ স্তরসমূহে দুরারোগ্য ক্রণিক রোগ দেখা যায় যা গুরুত্বপূর্ণ অংগ আক্রান্ত করে। উদাহরণস্বরূপ- amyotrophic lateral sclerosis, bulbular paralys, schizophrenia, end stages of cancer, হৃদরোগ, কিডনীর সমস্যা, লিভারের রোগ ইত্যাদি। এ স্তরে উপশকদায়ক (palliative) চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। যা এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার চেয়েও বহুগুণে উত্তম। এদের আর কোন একিউট রোগই হয়না। রোগগুলি একদেশীয় রোগে পরিণত হয়। মেডিসিনের প্যাটার্ণটি অস্পষ্ট এবং তা দ্রুত পরিবর্তনশীল। এসব ক্ষেত্রে প্যাথলজিক্যাল লক্ষণ বিশ্লেষণ করেই চিকিৎসা দিতে হয়। কারণ, রোগীর শরীরে আর হ্রাস-বৃদ্ধির সুস্পষ্ট নির্দেশক (modalities) নিয়ে অন্য কোন লক্ষণ দেখা দেয়না। রোগীর ব্যক্তিগত রোগ বিবরণী (medical history) দেখেই রোগী ঠিক কোন স্তরে আছেন তা নির্ণয় করা যায়। সেক্ষেত্রে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হওয়া বা না হওয়ার প্রবণতা মূল নির্দেশক। মজার বিষয় এক্ষেত্রে রোগ দুরারোগ্য হলেও ওষুধ দিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক উপশম লক্ষ্য করা যায় অথচ অচিরেই নতুন লক্ষণ সহ ভিন্ন রোগ প্রকাশিত হয়।

#Analysis: গ্রুপ – সি এর রোগীদের আরোগ্যকর (curative) সঠিক চিকিৎসা দিলে রোগীর একিউট রোগ আবার ফিরবে। যত দ্রুত তা ঘটে ততো রোগীর জন্য কল্যাণকর। অন্যদিকে গ্রুপ – বি তে যাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা কিছুটা দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে প্রত্যাশা করা হয় যেন একিউট রোগসমূহ ঘন ঘন দেখা না দেয়। এখানে প্রতিটি রোগীর প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে গভীর অন্ত:দৃষ্টির (deeper insight) প্রয়োজন হোমিওপ্যাথের। না হলে ওষুধ কি প্রতিক্রিয়া দেখালো তা মুল্যায়ন (evaluation) করা যাবেনা। অধিকন্তু প্রতিরোধ ব্যবস্থা যেখানে শক্তিশালী সেখানে ওষুধের প্রাথমিক সাময়িক বৃদ্ধি (homeopathic aggravation) পরিলক্ষিত হবে যার পরই দীর্ঘ উপশম দেখা যাবে। প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হলে প্রাথমিক বৃদ্ধি দীর্ঘ সময় ধরে হবে অথবা চিকিৎসার শুরুতে কোন বৃদ্ধিই হবেই। আরোগ্যের শেষ প্রান্তে বৃদ্ধির লক্ষণ দেখা দিবে।

#Selection of Potency & Dose (ওষুধের শক্তি-মাত্রা নির্বাচন): প্রতিরোধ ব্যবস্থার শক্তির উপর ভিত্তি করে ওষুধের শক্তিও নির্বাচিত হয়। দুর্বল প্রতিরোধ ব্যবস্থা সামান্য শক্তিও সহ্য করতে পারেনা। গ্রুপ সি-ডি এর ক্ষেত্রে কখনও উচ্চ শক্তির ওষুধ ব্যবহার করতে হয়না। ক্ষেত্র বিশেষে নিম্নশক্তির ওষুধ ঘন ঘন প্রয়োগ প্রয়োজন হয়। প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে উচ্চশক্তির একক মাত্রার প্রয়োগও যথেষ্ট।

#Overall Comments (সার্বিক মন্তব্য): হোমিও চিকিৎসার বদনাম-সুনাম করেন অনেকে। যেমন – ”স্লো তবে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই”। অধিকাংশ হোমিওপ্যাথও মনে করে এটি স্লো কাজ করে। বাস্তবতা হলো –”যার প্রতিক্রিয়া নেই তার ক্রিয়াও নেই”। এটাই বিজ্ঞানসম্মত। তবে প্রতিক্রিয়া আর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ভিন্ন কথা। হোমিও চিকিৎসা দিয়ে অলৌকিক আরোগ্য (miracle cure) করা সম্ভব যদি নিয়ম মেনে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার মত সকল রোগ এখানে অনারোগ্য নয়। মৃত্যু অবধি চিকিৎসার কোন প্রয়োজন হোমিওতে। কখনও কিউর না হওয়ার চেয়েও কিছু বিলম্বে কিউর হলেও উত্তম (late better than never)। যেসব হোমিওপ্যাথ ৪৮/৭২ ঘন্টা বা ৭/১৪ দিনের গ্যারান্টি দেন তাদের জন্য এটা সতর্কবার্তা। অজ্ঞানতার ক্ষমা নাই। অজ্ঞানতার সাথে অসততা যোগ হলে আপনিও হোমিওপ্যাথির তথা মানবতার শত্রু। গ্যারান্টি না দিয়ে প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করুন। নিয়ত শুদ্ধ রেখে ধৈর্য-অধ্যবসায় নিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। যেদিন ভাববেন আপনি অনেক জেনে গেছেন সেদিন ই আপনার চুড়ান্ত পতন। এ শিক্ষা আজীবন চলবে।

#DrBenojir, #Homeopath, For more info CLICK

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *