Treatment of cervical spondylosis

সার্ভিকাল স্পন্ডালাইসিস (Cervical spondylosis) হলো ইন্টার ভার্টেব্রাল ডিস্ক এবং এর সাথে যুক্ত ইন্টারভার্ট্রব্রাল জয়েন্টগুলির একটি ডিজেনারেটিভ রোগ যা প্রধানত বয়ষ্ক ব্যক্তিদের এবং যারা শারীরিক ও মানসিক চাপে থাকেন তাদের। স্নায়ুর মূল সংকোচন ও মেরুদন্ডের ক্যানেলের সংকীর্ণতার সাথে অস্টিওফাইটিক গঠনের কারণে এটিকে ভার্টিব্রাল অস্টিওফাইটোসিস (osteophytosis) সেকেন্ডারি ডিজেনারেটিভ রোগ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এটি একটি সাধারণ রোগ যা আধুনিক সমাজে মানুষের স্ট্রেসের কারণে দেখা দেয়।

আজকাল দীর্ঘক্ষণ ধরে কম্পিউটার এবং স্মার্টফোন ব্যবহার করা তরুণদের সার্ভিকাল স্পন্ডিলাইটিসের অন্যতম সাধারণ কারণ।

প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির লক্ষ্য ব্যথা উপশম করা। সেখানে এমন ওষুধ দেয়া হয় যাতে অনিদ্রা, মাথাধরা, মাথাঘোরা, ঝাঁপসা দৃষ্টি এবং সমন্বয়ের ক্ষতির মত বিরুপ প্রভাব দেখা দেয়। বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার কম কার্যকর এমনকি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ হতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে তা হয়না। হোমিওপ্যাথিতে রোগীর মন ও আত্মার ভূমিকা বিশ্লেষণ ও সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় এবং সে মোতাবেক চিকৎসা দেয়া হয়।

সার্ভিকাল স্পন্ডালোসিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগে হোমিওপ্যাথি অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া হোমিওপ্যাথি আপনাকে ব্যথা, সার্ভিকাল মেরুদন্ডের শক্ত হয়ে যাওয়া, ডিস্ক ও লিগামেন্টের প্রদাহ কমানো ও রোগীর ঘাড় ও হাতের গতিশীলতাকে উন্নত করে। যদি একজন রোগীর স্নায়ুমূলের সংকোচন থাকে তবে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেবনে এই সংবেদনশীলতা ও অসাড়তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

সঠিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ গভীরভাবে কাজ করে। তাই এটা রোগীর অবনতির পরবর্তী প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে রোগের অগ্রগতি থামিয়ে দেয়। কিছু পরিমাণে ডিস্ক ও কশেরুকার আরো ধ্বংস প্রতিরোধ করে ধীরে ধীরে এটি ব্যথানাশক ওষুধের প্রয়োজনীয়তা কমাতে সাহায্য করে।

ঝুকির কারণ (Causative factors/ Risk factors:):

বয়স (Age): বিশেষত রোগীর বয়স যদি ৪০ প্লাস হয় তো তাদের ঝুঁকি অধিক।

ঘাড়ের আঘাত (Neck injuries): ঘাড়ে আঘাতের ইতিহাস থাকলে তা এ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

পেশা (Occupation): যেসকল কাজে ঘাড়ের কার্যাবলীর দীর্ঘক্ষণ ধরে পুনরাবৃত্তি ঘটে তা সার্ভিকাল মেরুদন্ডে চাপ দিতে পারে যেমন- কম্পিউটার-স্মার্টফোনের দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার, বাইক ব্যবহার, চালক, পেশাদার নর্তক বা জিমন্যাস্ট, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী। এদের ঝুঁকি অধিক।

খারাপ ভংগী (Poor posture): অস্বাভাবাবিক অবস্থানে বসে টিভি দেখা, কাঁধে ফোন বা মোবাইল রাখা, বসা ও হাটার সময় কাঁধ ঝুঁকে পড়া, দীর্ঘ ভ্রমণের সময় বসে থাকা অবস্থায় ঘুমানো সার্ভিকাল মেরুদন্ডে চাপ সৃষ্টি করে এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

জেনেটিক্স (Genetics): সার্ভিকাল স্পন্ডিলাইটিস বা হাড়ের অবক্ষয়ের প্রবণতা পরিবারে থাকলে বংশগতভাবে এ রোগ হবার সম্ভাবনা অধিক।

বসে থাকা জীবনধারা (Sedentary lifestyle): ওজন, স্থুলতা বা ব্যায়ামের অভাবের প্রবণতা সার্ভিকাল স্পন্ডিলঅইটিসের অন্যতম কারণ।

ধুমপান (Smoking): ধমপান প্রাথমিক অবক্ষয় এবং সার্ভিকাল স্পন্ডিলাইটিসের বিকাশের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হতে পারে।

ক্লিনিকাল বৈশিষ্ট্য (CLINICAL FEATURES):

ব্যথা ও দৃঢ়তা (Pain and stiffness): এটি সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ। প্রাথমিকভাবে মাঝে মধ্যে হয়, পরে স্থায়ী হয়। সার্ভিকাল মেরুদন্ডের উপরের অর্ধেক ক্ষতিগ্রস্থ হলে অক্সিপিটাল মাথাব্যথা (Occipital headache) হতে পারে।

বিকিরণকারী ব্যথা (Radiating pain): রোগীর বাহু ও হাতের বাইরের দিকে কাঁধে বা নীচের দিকে বিকিরণকারী ব্যথা হতে পারে। স্নায়ুমন্ডলের অঞ্চলে প্যারেস্থেসিয়া (paresthesia) হতে পারে (সাধারণত থাম্বের গোড়ার উপরের স্নায়ুর মুল বরাবর এটি হয়)। পেশীর দুর্বলতা অস্বাভাবিক।

অস্থিরতা (Giddiness): ভার্টিব্রো-বেসিলার সিন্ড্রোমের কারণে রোগীর অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

পরীক্ষা (Examination): সাধারণত: এক্সরে (X-Rays of the cervical spine), সিটি স্ক্যান (Computed Tomography (CT) Scanning), এমআরআই (MRI) ইত্যাদির মাধ্যমে রোগটি ডায়গনসিস করা হয়।

প্রচলিত চিকিৎসা (Traditional Treatment): সাধারণত অস্থায়ীভাবে স্ফীত নরম টিস্যুগুলোর প্রাকৃতিক সমাধানে সহায়তা করার জন্য এবং পরবর্তী আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য রোগীকে নিম্নলিখিত পরামর্শ দয়া হয়:

সঠিক ঘাড়ের ভংগী (Proper neck posture), ঘাড়ের পেশীর ব্যায়াম (Neck muscle exercises) ইত্যাদির পরামর্শ দেয়া হয়। তবে তীব্রতার সময় গরম সেঁক (Hot fomentation), ঘাড়ের বিশ্রাম (Rest to the neck in a cervical collar), ট্র্যাকশন (Traction); যদি ঘাড় শক্ত থাকে, ডায়েট (Diet)- ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন – ডি ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়। ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন – ই সমৃদ্ধ মাছ, বাদাম ও তেলবীজ খেতে পরামর্শ দেয়া হয়। ফল ও সবজি- ভিটামিন – সি, ভিটামিন – এ ও সবজী প্রদাহের জন্য দায়ী ফ্রি র‍্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে ও ব্যথা ও ফোলা কমাতে সাহায্য করে।

লাল মাংস, আলু, কফি ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেয়া হয় কারণ এগুলি শরীরে এসিডি লোড  বাড়িয়ে রোগ বৃদ্ধি করে।

কিছু রোগীকে অকুপেশনাল (Occupational) ও রিক্রিয়েশনাল (Recreational) therapy দেয়া হয়।

হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপনা (Homeopathic management):

হোমিওপ্যাথিক ওষুধ রোগের অন্তর্নিহিত কারণগুলির চিকিৎসা করে। সুতরাং এর চিকিৎসা লক্ষ্য মূলত: সার্ভিকাল স্পন্ডাইলোসিসের ফলে উদ্ভূত জটিলতা এবং আরো ক্ষতির প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। কিছু বহুল ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো। তবে লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন ওষুধ ব্যবহৃত হতে পারে। কেন্ট রেপার্টরিতে এরোগের ২১৮ টি ওষুধ দেখতে পাই।

ককুলাস (Cocculus Indicus): মেরুদন্ডের দৈর্ঘ্যে স্প্যাসমোডিক সংকোচন, কাঁধের জয়েন্টে ও উপরের বাহুর পেশীতে বিশ্রামকালীন সুঁচফোটা বেদনা। পায়ের গোড়ালী নাড়াচাড়া করার সময় বেদনাদায়ক শক্তভাব। পিঠের ক্ষুদ্র অংশে (small of back) অবশ ও টেনে ধরার ন্যায় ব্যথা। নেশার কারণে বা বিছানা হতে উঠার সময় বমি করার প্রবণতার সাথে মাথা ঘোরা, অবশ্যই শুয়ে থাকতে হয়। কশেরুকার কর্কশ ও শক্ত হবার অনুভূতি। মাথা নড়াতে ঘাড়ে ব্যথা, যেন সার্ভিকাল কশেরুকা শক্ত হয়ে আছে। সার্ভিকাল পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া এবং বড় দুর্বলতাসহ মেরুদন্ডের জ্বালা। মাথা ভারী সহ সার্ভিকাল পেশীর দুর্বলতা। ঘাড় নাড়াতে ও হাই তোলার সময় সার্ভিকাল পেশীতে শক্ত ব্যথা। স্কাপুলার ও পিঠের ছোট অংশের মধ্যে সূঁচ ফোটা ব্যথা। স্ক্যাপুলা ও ঘাড়ের ন্যাপে চাপ। সংবেদন যেন হয় পিঠ ও ঘাড়ে চাপ। কশেরুকার স্পর্শে সংবেদনশীলতা, কিন্তু ব্যথা সনাক্ত করতে পারে না। পিঠে অনবরত ব্যথা। নড়াচড়ার সময় ঘাড়ের কশেরুকার ফাটল। ঘাড়ের পেশীর দুর্বলতা, যার ফলে মাথা সোজা রাখতে অক্ষমতা। ঘাড়ে লাল দাগ। পিঠে ও কটিদেশে প্যারালাইটিক ছিঁড়ে যাওয়া। পিঠে টানা ও ছিঁড়ে যাবার অনুভূতি বিশেষ করে কথা বলা, হাটাচলা এবং সামনের দিকে ঝুঁকে কাজ করার সময়। পিঠে কাঁপুনি। কাঁধের ব্লেড ও কটিদেশের তীব্র ব্যথা। ঘাড়ের পেশীর দুর্বলতা, মাথার ভারী সহ কয়েকদিন ধরে সার্ভিকাল পেশী মাথাকে সাপোর্ট দিতে অক্ষম থাকে। সার্ভিকাল পেশী বেদনাদায়ক- পিছনের দিকে ঝুঁকে পড়লে সবচেয়ে স্বস্তি পাওয়া যায়। সার্ভিকাল পেশীতে শক্ত ব্যথা, ঘাড় নড়াচড়া করা ও হাই তোলার সময়। মাথা নড়াচড়া করার সময় সার্ভিকাল কশেরুকার মধ্যে বেদনাদায়ক ক্র্যাকলিং। গলার পাশে ও অন্যান্য স্থানে প্যারালাইটিক ব্যথা। মাঝে মাঝে প্রায় বিরতিহীন পক্ষাঘাতগ্রস্থের চাপের ন্যায়। ঘাড়ে লেগে থাকা ব্যথা, মাথাকে সামনের ও পিছনের দিকে নিয়ে যায়; ঘাড়ের ব্যথার পাশে বাহ্যিকভাবে সূক্ষ্ম খোঁচামারা ব্যথা।

হাইপেরিকাম (Hypericum): ঘাড়ে ব্যথা। স্যাক্রামের উপর চাপ। স্পাইনাল কনকাশন। পড়ে যাওয়া হতে কসিক্সের আঘাত, মেরুদন্ডের উপরে ও নিচের অংগে ব্যথা ছড়িয়ে পেড়। পেশীর ঝাঁকুনি। কাঁধে ব্যথা। বাহুর আলনার পাশ বরাবর চাপ। পায়ের আংগুল বিশেষ করে আংগুলের ডগায় ব্যথা। হাতে-পায়ে ব্যথা সরে সরে যায়। উপরের ও নিচের অংশে ল্যানসিনেটিং ব্যথা। স্নায়ুর প্রদাহ, টিংলিং, জ্বালাকর ব্যথা, অসাড়তা। জয়েন্টগুলি থেঁতলে গেছে এমন অনুভূতি। হিস্টেরিক্যাল জয়েন্ট। টিটেনাস। আঘাতমুলক নিউরালজিয়া ও নিউরাইটিস।

রাস টক্স (Rhus tox): খাদ্য গলাধ:করণের সময় কাঁধের মধ্যে ব্যথা। পিঠের ছোট অংশে ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যায়। চলাফেরা করলে, শক্ত কিছুর উপর শয়নে ব্যথা উপশম হয়। বসে থাকাবস্থায় ঘাড়ের ন্যাপের শক্তভাব। হাত-পা গরম, জয়েন্টগুলোতে বেদনাদায়ক ফোলা। টেন্ডন, লিগামেন্টে ছিঁড়ে যাবার ন্যায় ব্যথা। বাতজনিত ব্যথা ঘাড়, কটিদেশ ও হাতের নাপাতে একটি বড় পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। চলাফেরার উপশম। হাড়ের কনডাইলে ব্যথা। অংগ-প্রত্যংগ শক্ত ও অবশ হয়ে পড়ে। ঠান্ডা মুক্ত বাতাস সহ্য হয়না, এটি ত্বককে বেদনাদায়ক করে তোলে। হাতের আলনার স্নায়ু বরাবর ব্যথা। উরু ছিঁড়ে যায় মনে হয়। সায়াটিকা; ঠান্ডা ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায়,  রাতে বৃদ্ধি। অসাড়তা, অতিরিক্ত কাজ ও শারীরিক পরিশ্রমের পরে। পক্ষাঘাত; পরিশ্রমের পর কাঁপুনি। হাঁটু জয়েন্টের কোমলতা। বাহু ও আংগুলের শক্তি হ্রাস; আংগুলের ডগায় ক্রলিং সংবেদন। পায়ে শিহরণ।

রানানকুলাস বুল (Rananculus bulbous): ব্যথা ঘাড়ের অংশে অনুভূত হয় ও কখনো কখনো নীচের দিকে ও বুকের অংশ ছড়িয়ে পড়ে। সকালের দিকে বেশী ব্যথা হয় এবং যে কোন ধরণের নড়াচড়া করলে ব্যথা আরো অধিক বেড়ে যায়। মাথা নড়াচড়া করলেও ব্যথা হয় এমনকি গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যথা বাড়ায়। ব্যথা বাহুর অসাড় অনুভূতির সাথে যুক্ত। cimicifuga এর মত ব্যথাও ল্যাপটপের কী-বোর্ড, আই-প্যাড বা মোবাইলের দীর্ঘ সময় লেখার পর উদ্ভুত হয়।

কালমিয়া (Kalmia): ঘাড় থেকে বাহুতে ব্যথা; কাঁধ- ব্লেড পর্যন্ত প্রসারিত হয়ে উপরের তিনটি পৃষ্ঠীয় কশেরুকায় যায়। পিঠে ব্যথা, যেন ভেংগে যাবে; মেরুদন্ডের স্থানীয় অঞ্চলে, কাঁধে ব্যথা। কটিদেশীয় ব্যথা, যার উৎস স্নায়বিক। বিশেষত: ডানদিকের ডেল্টয়েড বাত। ব্যথা নিতম্ব থেকে হাঁটু ও পা পর্যন্ত যায়। ব্যথা একটি অংগের একটি অংশ বা বেশ কয়েকটি জয়েন্টকে প্রভাবিত করে এবং দ্রুত অতিক্রম করে। দুর্বলতা, অসাড়তা, প্রিকিং, এবংঅংগে ঠান্ডা অনুভূতি। আলনার স্নায়ু ও তর্জনী বরাবর ব্যথা। জয়েন্টগুলো লাল, গরম, ফোলা। বাম হাতের শিহরণ ও অসাড়তা।

কলোসিন্থ (Colocynth): সার্ভিকাল বা ঘাড়ের অংশে ব্যথা আছে যা সেই অংশে চাপ বা মালিশ করলে উপশম হয়। সার্ভিকাল স্পন্ডাইলোসিসের জন্য কলোসিন্থের বৈশিষ্ট্যগত লক্ষণ হল রেগে যাওয়া বা অসন্তুষ্ট হবার মত কিছু মানসিক ব্যাঘাতের পরে ব্যথা হয় যা তার অনুভূতিকে বা রাগকে দমন করে। যা ঘাড় ব্যথা শুরু করার জন্য একটি ট্রিগার ফ্যাক্টরের কাজ করে।

ক্যাল্কেরিয়া ফস (Calcarea phos): বাতাসের ঝাঁপটা থেকে বাতজনিত ব্যথা, মাথা শক্ত হয়ে যাওয়া এবং নিস্তেজ হয়ে পড়া। স্যাক্রো-ইলিয়াক সিম্ফিসিসে ব্যথা, যেন ভেংগে শক্ত হয়ে গেছে। ব্যথা ঠান্ডা, অসাড় অনুভূতি ও আবহাওয়ার যে কোন ধরণের পরিবর্তনে বৃদ্ধি পায়। হামাগুড়ি দেয়। শীতলতা, নিতম্ব, পিঠ ও অংগ-প্রত্যংগ যেন ঘুমিয়ে আছে। জয়েন্ট এবং হাড়ের ব্যথা। সিড়ি বেয়ে উঠলে ক্লান্ত লাগে। অস্টিওআর্থাইটিস পরিবর্তনের কারণে মেরুদন্ডের অংশে অস্টিওফাইট বৃদ্ধি পায়। আর্দ্র আবহাওয়ায় ব্যথা বেশী হয়। ক্ল্যাল্কেরিয়া ফসের পরে ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর সার্ভিকাল ভার্টিবার পরিবর্তনে সহায়ক।

Leave a Reply

Please sing in to post your comment or singup if you don't have account.
Need Help?